শুক্রবার, ২০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeঅন্যান্যসাড়ে ৪ ঘণ্টা পর মহাখালী থেকে সরলেন শিক্ষার্থীরা
spot_img
spot_img

সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর মহাখালী থেকে সরলেন শিক্ষার্থীরা

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে মহাখালী এলাকায় অবরোধের সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর কলেজে ফিরে গিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। ফলে যান-চলাচল শুরু হয়েছে। তবে তাদের অবরোধের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।

আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাস থেকে মিছিল নিয়ে এসে মহাখালী রেলক্রসিং এলাকায় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেন। বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই অবরোধ চলে।

বিকেল ৪টার দিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসের দিকে চলে যান। এর আগে মাইকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের একজন বলেন, তাদের কর্মসূচি বিকেল চারটা পর্যন্ত। তাদের একটি দল আলোচনার জন্য গেছে। তারা ফিরে এলে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

জানা গেছে, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ডাকা হয়। পরে বৈঠক করতে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে গিয়েছেন। ১২ সদস্যের এ দলে আছেন- মেহেদী হাসান, মাহামুদুল হাসান, জাহাঙ্গীর সানি, আমিনুল, নুর উদ্দিন জিসান, কাউসার আহমেদ, মোশারফ হোসেন, তোহা, নুর মোহাম্মদ, হাবিব উল্লাহ রনি, আব্দুল হামিদ এবং নিরব হোসেন।

আন্দোলনকারী প্রতিনিধি দলের সদস্য হাবিব উল্লাহ রনি সমকালকে বলেন, সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন তারা। সেখান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় করতে কমিশন গঠনসহ গ্রহণযোগ্য ও সুনির্দিষ্ট আশ্বাস পেলে তারা কর্মসূচি স্থগিত রাখবেন। আর যদি সে ধরনের কোনো আশ্বাস সরকার না দেয়, তাহলে আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের মতামতের ভিত্তিতে শিগগির নতুন কর্মসূচির ঘোষণা করা হবে।

শিক্ষার্থীদের দাবি-
তিতুমীর কলেজ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে তিন দফা দাবি জানিয়েছেন। দাবিগুলো হলো-

১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিল করে ৭ কলেজ থেকে তিতুমীর কলেজকে পৃথক (আলাদা) করতে হবে।

২. তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের লক্ষ্যে কমিশন গঠন করতে হবে।

৩. তিতুমীরকে একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের রূপরেখা প্রণয়ন করতে হবে।

 

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments