
জানা যায়, প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ১৫টি সিকিউরিটিজ হাউজে গ্রাহকদের গ্রাহকদের যে পরিমাণ টাকা থাকার কথা ছিল, বাস্তবে তার চেয়ে ৪৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা কম রয়েছে। ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ কেলেঙ্কারির পর আর কোন হাউজের মাধ্যমে যেন বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য কঠোর অবস্থানে রয়েছে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ। ইতিমধ্যে ডিএসই ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কাছে গ্রাহকদের সমন্বিত হিসাবের (Consolidated Accounts) তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। আগামীকাল ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে ঘাটতি পূরণ করারও নির্দেশনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ব্রোকারহাউজগুলোর মধ্যে দেশের কয়েকটি শীর্ষ শিল্প গ্রুপের প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। গ্রুপগুলোর মধ্যে আছে-এ্যাপেক্স গ্রুপ, সিনহা গ্রুপ, ল্যাব এইড গ্রুপ ও ডোরিন গ্রুপ। এর মধ্যে ল্যাবএইড ছাড়া বাকী তিনটি গ্রুপের একটি করে কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রয়েছে।
গ্রাহকদের সমন্বিত হিসাবে সবচেয়ে বেশি ঘাটতি রয়েছে অ্যাপেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠান অ্যাপেক্স ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডে। ঘাটতির পরিমাণ ২১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা ঘাটতি সিনহা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান সিনহা সিকিউরিটিজে।নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন ক্যাপিটালের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইউনিক্যাপ সিকিউরিটিজে ঘাটতির পরিমাণ ৬ কোটি ৯ লাখ টাকা।
এক্সপো ট্রেডার্স নামের ব্রোকার হাউজে গ্রাহকদের সমন্বিত হিসাবে ৫ কোটি ৩ লাখ টাকা ঘাটতি আছে। শীর্ষ পাঁচ খেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় থাকা সাদ সিকিউরিটিজে ঘাটতির পরিমাণ ১ কোটি ৫২ লাখ টাকা।
বাকি ৯ ব্রোকারহাউজে সর্বনিম্ন ৪ লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘাটতি আছে।
এই ব্রোকারহাউজগুলোর মধ্যে আছে- ল্যাব এইড গ্রুপের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মিরর ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ডোরিন গ্রুপের মালিকানাধীন ব্রোকারহাউজ নুর-ই-আলম সিদ্দিকী অ্যান্ড কোং, ফারইস্ট স্টক এন্ড বন্ডস, এএনএফ ম্যানেজমেন্ট, এসিই ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস, হাবিবুর রহমান সিকিউরিটিজ ও গেটওয়ে ইক্যুইটি রিসোর্সেস লিমিটেড।
ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট/মাজ./নি





























Recent Comments