চলতি মাসে প্রবল বর্ষণের কারণে এশিয়াজুড়ে শতাধিক মানুষ মারা গেছে। গত ১৫ দিন ধরে প্রবল বর্ষণের কারণে ভারত, চীন ও জাপানসহ বেশ কয়েকটি দেশে বন্যা ও ভূমিধস হয়েছে। এর ফলে লাখ লাখ মানুষকে অন্যত্র আশ্রয় নিতে হয়েছে। শুক্রবার বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।

শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে ঝড়ের উচ্চ সতর্কতা ছিল। একই দিন ফিলিপাইনের কর্মকর্তারা একটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে স্থানীয়দের সতর্ক করেছিলেন।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে জাপানের কিউশু দ্বীপে বন্যা হয়েছে। এতে স্থানীয় রাজনীতিবিদসহ অন্তত আটজন মারা যায়। এখনো অনেকে নিখোঁজ রয়েছে।
জাপানের আবহাওয়া সংস্থার একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘এর আগে কখনোই এমন বৃষ্টিপাত হয়নি।’ দেশের চারপাশের শহরগুলোতে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বব্যাপী বন্যার ঝুঁকি বাড়িয়েছে। অনেক দেশ এখন চরম আবহাওয়ার বিপদ প্রশমিত করতে হিমশিম খাচ্ছে।
চীন ও ভারতে কয়েক সপ্তাহ ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। উত্তর ভারতে গত ১৫ দিনে ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা এবং বাড়িঘর ধসে প্রায় ১০০ জন মারা গেছে। রাজধানী দিল্লিতে পাতাল রেল ব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দেশের দ্বিতীয় জনবহুল শহরটির অনেক সড়ক প্লাবিত হয়েছে।
অস্বাভাবিকভাবে ভারী বর্ষণে চীনে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গত সপ্তাহে দক্ষিণ-পশ্চিম চংকিং থেকে আসা ফুটেজে দেখা গেছে, প্রবল স্রোতের মধ্যে একটি ভবন নদীতে ধসে পড়ছে।
কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেন গত সপ্তাহে আকস্মিক বন্যার কবলে পড়েছিল। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত’ রেকর্ড করেছেন তারা। শহর জুড়ে প্রায় ১৪টি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.




























Recent Comments