ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: সারা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের নজর যেখানে আটকে থাকে, সেই অঙ্গনটা ঝলমলে করতে প্রতিবছর মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচা করতে হয় ইউরোপের ক্লাবদের। শীর্ষ ৫ টি লিগের হিসাব করলে যে তালিকায় সবার আগে প্রিমিয়ার লিগের নামটাই চলে আসবে। অর্থবিত্ত, ঐতিহ্য কিংবা লড়াইয়ের গণ্ডিতে গত কয়েক বছরে ইংলিশদের সাফল্য ঈর্ষণীয়, যা অনেকটাই পেছনে ফেলেছে বাকিদের।

অবশ্য ইংল্যান্ডের ক্লাবগুলোর বেশিরভাগের নাটাই যুক্তরাষ্ট্রের বিলিনিয়ারদের হাতে। তাঁদের কেউ শখ করে ফুটবলে হাজার হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করছেন, আবার কেউ মুনাফার আশায় ঢালছেন অর্থ। তাতে দল সাফল্য পেল বা না পেল তাতে কিছু যায় আসে না। মৌসুমের পর মৌসুম টাকার বস্তা দিয়ে যাচ্ছেন ইংল্যান্ডে।
অবশ্য ইংল্যান্ডের অর্থনীতিও এই টাকার বড় একটা ভাগ পাচ্ছে। সব মিলিয়ে প্রিমিয়ার লিগে যে অর্থের ঝনঝনানি, সেটা পরিষ্কার।
একটা উদাহরণ দিলে অর্থের হিসাবটা আরও স্পষ্ট হয়ে যাবে। সারা বিশ্বে যত লিগ রয়েছে, তার মধ্যে ২০২২-২৩ মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ৫৭৫০ মিলিয়ন পাউন্ড রাজস্ব পকেটে পুরেছে এই প্রিমিয়ার লিগ, যা কিনা আগের মৌসুমের চেয়ে ২৯৫ মিলিয়ন পাউন্ড বেশি। দিনকে দিন বাড়ছে তাদের বার্ষিক আয়। যেখানে বড় অবদান কিন্তু মালিকপক্ষের। নিজেদের সম্পদ থেকে উল্লেখযোগ্য একটা অংশ এই ফুটবলে বিনিয়োগ করছে তারা।
সর্বশেষ নিউক্যাসলের মালিকানার ৮০ ভাগ কিনেছিল সৌদির পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড, যার প্রধান আবার দেশটির প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। যাদের সঙ্গে ক্লাবটির শেয়ার কেনে দুই ইংলিশ প্রতিষ্ঠান আরবি স্পোর্টস অ্যান্ড মিডিয়া ও পিসিপি ক্যাপিটাল পার্টনারস। যদিও তারা নামমাত্র মালিকানায় রয়েছে।
তবে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবপাড়ায় এখনও দাপট যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের। যেখানে কাতার, সৌদি ছাড়াও মিসর, ইরান, পাকিস্তান এবং চীনের ব্যবসায়ীরাও আসছেন। সেই তুলনায় ইংল্যান্ডের ধনকুবেরদের দেখা নেই।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.
































Recent Comments