ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: মন্ত্রণালয়ের দৈনন্দিন কাজের বাইরে ‘দেশব্যাপী প্রতিভা সন্ধান’, তরুণদের জন্য ‘তারুণ্যের উৎসব’সহ সাতটি অগ্রাধিকার কার্যক্রম এরই মধ্যে ঘোষণা করেছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। গত বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অগ্রাধিকারের তালিকা তুলে ধরেন তিনি।
সাতটি কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ‘রিমেম্বারিং মনসুন রেভল্যুশন’, ‘তারুণ্যের উৎসব’, ‘দেশব্যাপী প্রতিভা সন্ধান’, ‘ডিজিটাল ওরাল হিস্ট্রি প্রকল্প’, ‘বাংলা একাডেমি সৃজনশীল লেখালেখি কর্মশালা ও গবেষণা প্রকল্প’, ‘জাতীয় জাদুঘরে আধুনিক ভিডিও প্রক্ষেপণ ব্যবস্থা স্থাপন’ এবং ‘শো-ক্রিয়েটর ওয়ার্কশপ’।
এবার ‘রিমেম্বারিং মনসুন রেভল্যুশন’ কার্যক্রমের অধীনে প্রোডাকশন ওরিয়েন্টেড ফিল্মমেকিং ওয়ার্কশপের জন্য সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানালেন ফারুকী। রোববার (২৪ নভেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক একাউন্টে এক পোস্টে সংস্কৃতি উপদেষ্টা জানান, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাফরিজা শ্যামাকে সভাপতি করে একটা সার্চ কমিটি করা হয়েছে রোববার। লেখক এবং শিক্ষক সুমন রহমান, পরিচালক-প্রযোজক তানিম নুর এবং আদনান আল রাজীব এই কমিটির এক্সটারনাল এক্সপার্ট হিসাবে থাকছেন।
পোস্টে ফারুকী লেখেন, ‘আপনারা জানেন আমাদের সাতটা প্রায়োরিটি প্রোগ্রামের একটা ‘রিমেম্বারিং মুনসুন রেভুলুশন’। এর একটা উল্লেখযোগ্য কাজ হচ্ছে ৮ বিভাগ জুড়ে প্রোডাকশন ওরিয়েন্টেড ফিল্মমেকিং ওয়ার্কশপ করা। যে ওয়ার্কশপগুলোর লক্ষ্য দুইটা- ১. প্রতি বিভাগে দশ জন করে প্রতিশ্রুতিশীল ফিল্মমেকারকে হাতে কলমে কাজ শেখানো। এই ওয়ার্কশপ পরিচালনা করবেন আটজন ফিল্মমেকার। ২. এই আট ফিল্মমেকার একই সাথে একটা করে ৪০ মিনিট দৈর্ঘের ছবি বানাবেন যে ছবিগুলো জুলাই মাসে রিমেম্বারিং মুনসুন রেভুলেশন ফেস্টিভ্যাল উপলক্ষ্যে দেখানো হবে। পরবর্তীতে টেলিভিশন এবং অনলাইনেও দেখানো হবে এগুলো। এই ছবিগুলোতে সহকারী পরিচালক হিসাবে হাতেকলমে কাজ শেখার সুযোগ পাবেন ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারীরা।
তিনি লেখেন, ‘এই আটটা ওয়ার্কশপ কারা নিবেন এবং ভিজ্যুয়াল কনটেন্টগুলো কারা বানাবেন এটা নির্বাচন করার জন্য সার্চ কমিটি গঠিত হয়েছে। আট বিভাগের ভাই-বোনেরা, চোখ রাখুন ওয়ার্কশপের ঘোষণার জন্য। তার আগে চোখ রাখুন আপনার বিভাগে কে আসছেন জানতে। আশা করি সার্চ কমিটি দ্রুত বসে নির্বাচন সম্পন্ন করবেন।
পোস্টে আশাবাদ ব্যক্ত করে উপদেষ্টা লিখেছেন, ‘আমি তাকিয়ে আছি আজ থেকে পাঁচ বছর পরে যেন এটা শুনতে পাই কোন একজন ফিল্ম মেকার হয়তো এসে আমার সঙ্গে দেখা করে বলবেন- ভাই, আমি একটা ছবি বানিয়েছি। আপনারা যে একটা ওয়ার্কশপ করেছিলেন অমুক বিভাগে, আমি ওইটাতে পারটিসিপেট করেছিলাম। আমি বিশ্বাস করি যে ৮০ জন ওয়ার্কশপ পার্টিসিপেন্টকে নিয়ে ৮ জন ফিল্মমেকার ওয়ার্কশপ করবেন, এই ৮০ জনের মধ্যে কমপক্ষে ৫০ জন নিজেরা ফিল্মমেকার হয়ে দাঁড়াবেন। এই আগুনটাই আমরা ছড়িয়ে দিতে চাই।’
‘পাশাপাশি এটাও চাই ৮ জন ফিল্মমেকার যে ৮ টা ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট বানাবেন সেই কন্টেন্টগুলো যেনো দেশে এবং দেশের বাইরে আমাদের সময়ের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসাবে বিবেচিত হয়।’ যোগ করেন ফারুকী।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.
































Recent Comments