ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: ৩০ জুন ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য কোন ডিভিডেন্ড ঘোষণা না করে বিনিয়োগকারীদের হতাশ করেছে ১৮ কোম্পানি। এর মধ্যে ৬ কোম্পানি গেল বছর ডিভিডেন্ড ঘোষণা করলেও এ বছর বিনিয়োগকারীদের বঞ্চিত করেছে। যে কারণে কোম্পানিগুলোর জেড ক্যাটাগরিতে যাওয়ার রাস্তা তৈরি হয়েছে। কারণ পরপর দুই বছর ডিভিডেন্ড না দিলে নিয়মানুযায়ী জেড ক্যাটাগরিতে নামিয়ে দেওয়া হবে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ডিভিডেন্ড ঘোষণা না করা ১৮ কোম্পানি হলো: ইয়াকিন পলিমার, মুন্নু ফেব্রিক্স, রেনউইক যজ্ঞেশ্বর, সাভার রিফ্যাক্টরীজ, স্টাইলক্রাফ্ট লিমিটেড, আরএন স্পিনিং, দুলা মিয়া কটন, শ্যামপুর সুগার মিলস, ওসমানিয়া গ্লাস, খুলনা প্রিন্টিং, জেনারেশন নেক্সট, ফাইন ফুডস, আরামিট সিমেন্ট, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, জাহিন টেক্স, খান ব্রাদার্স এবং ওইম্যাক্স ইলেকট্রোডস।
জানা যায়, ইয়াকিন ৩০ জুন ২০২০ সমাপ্ত অর্থবছরে ১ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার কারণে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ছিল। কিন্তু ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। কোম্পানিটি সামনের বছর ডিভিডেন্ড না দিলে জেড ক্যাটাগরিতে চলে যাবে।
স্টাইল ক্রাফট ৩০ জুন ২০২০ সমাপ্ত অর্থবছরে ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার কারণে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে ছিল। কিন্তু ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। কোম্পানিটি সামনের বছর ডিভিডেন্ড না দিলে জেড ক্যাটাগরিতে চলে যাবে।
খুলনা প্রিন্টিং ৩০ জুন ২০২০ সমাপ্ত অর্থবছরে ০.২৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার কারণে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ছিল। কিন্তু ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। কোম্পানিটি সামনের বছর ডিভিডেন্ড না দিলে জেড ক্যাটাগরিতে চলে যাবে।
ফাইন ফুডস ৩০ জুন ২০২০ সমাপ্ত অর্থবছরে ১ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার কারণে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ছিল। কিন্তু ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। কোম্পানিটি সামনের বছর ডিভিডেন্ড না দিলে জেড ক্যাটাগরিতে চলে যাবে।
খান ব্রাদার্স ৩০ জুন ২০২০ সমাপ্ত অর্থবছরে ২ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার কারণে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ছিল। কিন্তু ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। কোম্পানিটি সামনের বছর ডিভিডেন্ড না দিলে জেড ক্যাটাগরিতে চলে যাবে।
ওইম্যাক্স ইলেকট্রোডস ৩০ জুন ২০২০ সমাপ্ত অর্থবছরে ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার কারণে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ছিল। কিন্তু ২০২১ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেনি। কোম্পানিটি সামনের বছর ডিভিডেন্ড না দিলে জেড ক্যাটাগরিতে চলে যাবে।
উল্লেখ্য, নো ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা ১৮ কোম্পানির মধ্যে ইয়াকিন পলিমারের সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৫৫ পয়সা। এছাড়া মুন্নু ফেব্রিক্স শেয়ার প্রতি আয় (EPS) হয়েছে ৬ পয়সা, রেনউইক যজ্ঞেশ্বরের শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ২৩.৩২ টাকা, সাভার রিফ্র্যাক্টোরীজ শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৯২ পয়সা, স্টাইলক্রাফ্ট লিমিটেডের শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৯৩ পয়সা, আরএন স্পিনিং শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১৮ পয়সা, দুলা মিয়া কটন শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৩৭ পয়সা, শ্যামপুর সুগার মিলস শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১২৫ টাকা ১৪ পয়সা, ওসমানিয়া গ্লাস শিট শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ৬ টাকা ৬৬ পয়সা, খুলনা প্রিন্টিং শেয়ার প্রতি প্রতি লোকসান হয়েছে ৬.১২ টাকা, জেনারেশন নেক্সট শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.০১ টাকা, ফাইন ফুডস শেয়ার প্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ০.১১৩ টাকা, আরামিট সিমেন্ট শেয়ার প্রতি আয় (EPS) হয়েছে ৬০ পয়সা, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক শেয়ার প্রতি লোকসান (EPS) হয়েছে ৮ টাকা ২৬ পয়সা, অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ শেয়ার প্রতি লোকসান ৫ টাকা ৮ পয়সা, জাহিন টেক্স শেয়ার প্রতি লোকসান ৩ টাকা ১ পয়সা, খান ব্রাদার্স শেয়ার প্রতি লোকসান ০.১৫ টাকা এবং ওইম্যাক্স ইলেকট্রোডসের শেয়ার প্রতি আয় (EPS) হয়েছে ৮ পয়সা।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/দি./নি.


























Recent Comments