
জানা যায়, ডিএমডি খোরশেদ আলমকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো: শহিদুল্লাহকেও গ্রেপ্তারের জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের মালিক শহিদ উল্লাহ বিনিয়োগকারীদের টাকা আত্মসাৎ করে গত ২৩ জুন থেকে ব্রোকারেজ হাউজে তালা লাগিয়ে আড়ালে রয়েছেন। তাকে খুঁজে না পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন ওই হাউজের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করা বিনিয়োগকারীরা। যা পুরো শেয়ারবাজারে আতঙ্ক তৈরি করেছে। বন্ধ করার আগে ওই হাউজটি থেকে প্রায় ৭০ লাখ টাকার শেয়ার কেনা হয়। তবে এর বিনিময়ে ডিএসইকে দেয়া চেক বাউন্স করে। ফলে হাউজটির সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ডিএসই। তাদের কাউকে না পেয়ে কেনা শেয়ারগুলো ফ্রিজ করে রাখা হয়। এছাড়া আগামী তিন মাসের মধ্যে ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ হাউজের পাওনাদারদের পাওনা পরিশোধ করে দেওয়া হবে বলে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী সানাউল হক প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/মাজ./নি


































Recent Comments