শুক্রবার, ১৩ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeস্বাস্থ্য বার্তাবছরে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন ১৫ হাজারের বেশি নারী
spot_img
spot_img

বছরে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন ১৫ হাজারের বেশি নারী

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: বিশ্বে ১০ কোটি নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত। বাংলাদেশে প্রতি বছর নতুন করে ১৫ হাজারের বেশি স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। এদের মধ্যে ৯৮ শতাংশ বেশি নারী ও দুই শতাংশ পুরুষ। প্রতি বছর এ রোগে মারা যায় সাড়ে ৭ হাজার মানুষ।

রোববার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সাত্তার হলরুমে ‘বিশ্ব ক্যান্সার দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশ এ তথ্য জানায়। এর আগে দুপুরে সোসাটির পক্ষ থেকে জাতীয় শহীদ মিনার থেকে দোয়েল চত্বর হয়ে প্রেসক্লাব পর্যন্ত ক্যান্সার বিষয়ক জনসচেতনতা মূলক র‌্যালি ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বিশ্বে প্রতিবছর ৮২ লাখ মানুষ ক্যান্সারে মারা যায়। বিশেষ করে সাড়ে ১০ কোটি নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। দ্বিতীয় এ মরণব্যাধিতে আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই হচ্ছে বাংলাদেশসহ তৃতীয় বিশ্বের নাগরিক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে সচেতনতা ও শিক্ষার অভাব এবং অর্থনৈতিক অবস্থাকে বাংলাদেশে ক্যান্সার ও এ রোগে মৃত্যুর হার বৃদ্ধির জন্য দায়ী।

আলোচনা সভায় জানানো হয়, আমাদের জীবনযাপনের ধরন ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এসেছে, এ কারণেও ক্যান্সারে হতে পারে। এ ছাড়া কারও পরিবারে স্তন ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে হতে পারে। কারও যদি ১২ বছরের আগে ঋতুস্রাব হয় ও দেরিতে মেনোপজ বা ঋতু বন্ধ হয়, তারাও ঝুঁকিতে থাকে। সেই সঙ্গে তেজস্ক্রিয় স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

গবেষণায় দেখা যায়, দেরিতে সন্তান গ্রহণ, আবার যাদের সন্তান নেই বা সন্তানকে বুকের দুধ না খাওয়ানো, খাদ্যাভ্যাসে শাকসবজি বা ফলমূলের চাইতে চর্বি ও প্রাণিজ আমিষ বেশি থাকলে এবং প্রসেসড ফুড বেশি খেলে এবং অতিরিক্ত ওজন যাদের তাদেরও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিল খাচ্ছেন বা হরমোনের ইনজেকশন নিচ্ছেন, তারাও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। একইসঙ্গে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে। বিশেষ করে ৫০ বছর বয়সের পর এই ঝুঁকি অনেক বেশি বেড়ে যায়। তখন আর করার কিছু থাকে না।

স্তন ক্যানসার সাধারণত দুভাবে শনাক্ত করা যায়- ১. স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে। ২. রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে। স্ক্রিনিং আবার দুভাবে করা যায়- ১. নিজেই নিজের স্তন পরীক্ষা করা। ২. ডাক্তার বা নার্সের সাহায্যে পরীক্ষা করা।

স্তন রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রেও প্রধানত দুটি পদ্ধতি রয়েছে- ১. মেমোগ্রাম বা স্তনের বিশেষ ধরনের এক্স-রে ও ২. স্তনের আলট্রাসনোগ্রাম। এছাড়া এমআরআই এবং বায়োপসির মাধ্যমেও স্তন ক্যান্সার নির্ণয় করা হয়ে থাকে। স্তন ক্যান্সারের শনাক্তকরণের পরবর্তী পর্যায় হলো এর সঠিক চিকিত্সা করা। স্তন ক্যান্সারের যে চিকিত্সাগুলো প্রধানত রয়েছে তা হলো- সার্জারি, কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি ও হরমোন থেরাপি।

 

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/এম আর.

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments