ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: ফুল থেকেই ফল হয়। ফুল সবজি হিসেবে খাওয়া যায়। আমাদের দেশে গ্রামীণ অঞ্চলে অনেকেই খাদ্যপযোগী ফুল রান্না করেন। এ নিয়ে ঐতিহ্যবাহী অনেক রান্নাও আছে। যে ফুলগুলো বৈচিত্র্যময় রান্নার জন্য, তা এখনই জেনে নিন।

কুমড়োর ফুল আজকাল অনেক জনপ্রিয়। এ ফুল বেসন দিয়ে মাখিয়ে ভেজে খাওয়া যায়, ইলিশ ভর্তা এই ফুলে মুরে বড়া করে খাওয়া যায়। আবার চাইলে তরকারিও রান্না করা যায় কুমড়োর ফুল দিয়ে।
কলার থোড় বা মোচা ভাজি করে খাওয়া যায়। আবার ভেজে ডালের বড়ার মতো করতে পারেন। ওই বড়া তরকারিতে দিলে দারুণ লাগে। এতে তরকারির স্বাদও বাড়ে।
শাপলার ফুলের অংশ বেসনে ডুবিয়ে পাকোড়া বানানো যায়। আবার শাপলার ডাটা সেদ্ধ করে শুটকি কিংবা মাছ দিয়ে রান্না করা যায় এবং শাপলার ফলও খাওয়া যায়। এককালে গ্রামে শাপলার ঢ্যাপ দিয়ে খই ও নাড়ু বানানো হতো।
সরষে ফুল খেতে পারেন ভাজি, বড়া বা ভর্তা করে। এ ফুল পুঁটি মাছের সাথে চর্চরি করেও খাওয়া যায়।
জলপদ্মের ডাটা খাদ্য হিসেবে জনপ্রিয়। সচরাচর শিং-মাগুরের সঙ্গে এর ডাটা রান্না করা যায়। আবার বাড়তি আমিষ না দিয়েও রান্না করতে পারবেন।
পেঁয়াজকলি বা পেঁয়াজ ফুল ভাজি, রান্না বা ফ্রাইড ভেজিটেবল করে খাওয়া যায়। তাছাড়াও লইটা বা ইলিশ শুটকির সাথেও পেঁয়াজ ফুল ভাজি করে খাওয়া যায়।

এখন রান্নায় আরোও বৈচিত্র্য এসেগেছে। আমাদের দেশে খাদ্য হিসেবে কচুর ফুল, কচুরিপানার ফুল, শজনে ফুল, হলুদ ফুল এবং মেস্তা বা টক ফুলও এখন অনেকেই খেয়ে থাকেন বিশেষ করে গ্রামগঞ্জের বিভিন্ন প্রণালিতে এই ফুলগুলো খাওয়া হয়ে থাকে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/মৌ.


























Recent Comments