ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: অনেক সময় ক্যানসার হঠাৎ করে তীব্র উপসর্গ নিয়ে প্রকাশ পায় না। বরং শুরুটা হয় খুব সাধারণ ও নজর এড়িয়ে যাওয়া কিছু শারীরিক পরিবর্তনের মাধ্যমে। ফলে এসব লক্ষণকে সাধারণ অসুস্থতা বা ক্লান্তি ভেবে অনেকেই গুরুত্ব দেন না, যা পরবর্তীতে রোগ শনাক্তে দেরি ঘটায়।
দৈনন্দিন ব্যস্ততা, অনিয়মিত জীবনযাপন ও ঘুমের ঘাটতির কারণে শরীরের পরিবর্তনগুলো অনেক সময় স্বাভাবিক বলেই ধরে নেওয়া হয়। তবে কিছু লক্ষণ দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
সাধারণ ক্লান্তি বিশ্রামে কেটে গেলেও, দীর্ঘ সময় বিশ্রামের পরও অবসাদ না কাটলে তা উদ্বেগের কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কিছু ক্ষেত্রে রক্ত বা কোলন ক্যানসারের প্রাথমিক ইঙ্গিত হতে পারে।
খাদ্যাভ্যাস বা ব্যায়ামের পরিবর্তন ছাড়াই দ্রুত ওজন কমে গেলে তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। কয়েক মাসে শরীরের ৫–১০ শতাংশ ওজন কমে যাওয়া অগ্ন্যাশয়, পাকস্থলী বা ফুসফুসজনিত সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
তীব্র না হলেও দীর্ঘদিন ধরে থাকা হালকা ব্যথা বা বারবার ফিরে আসা ব্যথা শরীরের ভেতরের সমস্যার সংকেত হতে পারে। ব্যথার স্থায়িত্ব এখানে গুরুত্বপূর্ণ।
দীর্ঘস্থায়ী কাশি, কণ্ঠস্বর পরিবর্তন বা মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন—এসব লক্ষণ সপ্তাহের পর সপ্তাহ থাকলে তা বড় কোনো রোগের ইঙ্গিত হতে পারে।
অনেক সময় ব্যথাহীন পিণ্ড বা ফোলা, বিশেষ করে স্তন বা লিম্ফ নোডে, ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। অজানা কারণে রক্তপাত হলেও দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
একটি লক্ষণ আলাদা করে তেমন গুরুতর না মনে হলেও একাধিক লক্ষণ একসঙ্গে দেখা দিলে তা একটি সম্ভাব্য রোগের প্যাটার্ন নির্দেশ করতে পারে।
ক্যানসার অনেক সময় দেরিতে শনাক্ত হওয়ার কারণেই জটিল হয়ে ওঠে। তাই দুই থেকে তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে থাকা যেকোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তনকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/অ
























Recent Comments