ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: কম বেশি আমরা সকলেই আম ভালোবাসি। এ সময় বাজারে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের আম। আর বাজারে আম দেখেই ব্যাগ ভরতি করে বাসায় আনার পর খেতে গিয়ে যখন দেখতে হয় পরিপক্ক হওয়ার আগেই পাকানো হয়েছে এবং খেতেও তেমন ভালো না তখন কষ্ট পাওয়াটাই স্বাভাবিক। বাইরে থেকে কোনটা কেমিক্যালযুক্ত আম সেটা বোঝা কঠিন। তবে ক্রেতারা যদি কোন মৌসুমে কোন আম পাওয়া যাবে এ বিষয়ে সঠিক ধারণা রাখেন এবং রাসায়নিক দেয়া আম কেনা থেকে বিরত থাকেন তাহলে অনেকাংশেই অসাধু ব্যবসায়ীদের প্রতারণা থেকে বাঁচা সম্ভব। তাই আম কেনার আগে যদি জানা যায়, কোন আম কোন সময়ে পাকে তবে ভালো আম ঘরে আনা সম্ভব।

দেশে আমের জনপ্রিয় জাতগুলো মূলত গ্রীষ্মকালেই পাওয়া যায়, কখনো বর্ষাকালের মাঝামাঝি পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হয় এ আমের ব্যাপ্তি। আসুন জেনে নেই কোন আম কোন মৌসুমে পাওয়া যায় এবং কোন সময় পাকে।
হিমসাগর, খিরসাপাতি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ফজলি, রানী-পছন্দ, আম্রপালি বা আশ্বিনাসহ আরও নানা জাতের আমের মৌসুমের সময় এ গ্রীষ্মকাল।
মূলত দেশে মে থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত এ পাঁচ মাসকে আমের মৌসুম হিসেবে গণ্য করা হয়। সবচেয়ে বেশি আম পাওয়া যায় জুন থেকে জুলাই মাসে। তবে কোন আমটি কোন সময় পাওয়া যাবে সে বিষয়ে বেশিরভাগের সঠিক কোন ধারণা নেই।
বাংলাদেশের আমের মৌসুমকে মূলত তিন ভাগে ভাগ করা যায় । আগাম জাত, মধ্য মৌসুমি জাত এবং নাবি জাত। মে থেকে সেপ্টেম্বর মোট ৫ মাস আমের মৌসুম থাকে। মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে জুনের মাঝামাঝি সময়ে পাকে আগাম জাতের আম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, বৃন্দাবনি, গুলাবখাশ, রানীপছন্দ, হিমসাগর, বারি-১ ও ক্ষীরশাপাত।
জুনের মাঝামাঝি থেকে পাকতে শুরু করে মধ্য মৌসুমি আম এগুলো হল ল্যাংড়া, হাঁড়িভাঙ্গা, লক্ষণভোগ, খুদিক্ষীরশা, বারি-২, বোম্বাই, সুর্যপুরী ইত্যাদি।
এছাড়া জুলাই মাস থেকে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত পাকে নাবি জাতের আম। সেগুলো হল ফজলি, আম্রপালি, মোহনভোগ, আশ্বিনা, গৌড়মতি, বারি-৩, বারি-৪, ইত্যাদি।
আম বাগান মালিকদের সঠিক সময়ে সঠিক আম বাজারে সরবরাহ করা এবং বিক্রেতাদের বাণিজ্যিক মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার পাশাপাশি ভোক্তাদের সচেতন ভূমিকা পালন করা উচিত। তাহলেই মৌসুমি ফল, ভালো মানের আম সবার কাছে পৌঁছে যাবে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/মৌ.
































Recent Comments