ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: আমরা অনেকেই আছি যারা শীতে ট্যুর দিতে খুব ভালোবাসি। তাই ভাবনা ছাড়াই ঘুরে আসতে পারেন কক্সবাজারে। এখন কক্সবাজারের হিমছড়িতে আছে ক্যাম্পিংয়ের সুব্যবস্থা। দেখে আসতে পারেন নতুন কিছু। যারা কক্সবাজারে এসে সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন এলাকা কলাতলী, লাবণী পয়েন্ট, সমুদ্রের পাশের হোটেল আর বার্মিজ মার্কেট ঘুরে চলে যাচ্ছেন তারাও উপভোগ করতে পারেন কক্সবাজারের ভিন্ন রুপ।

মূলত সড়ক বা আকাশপথে ভ্রমণের পরই ঠাঁই নিতে হয় হোটেলে, হোটেলে থেকে যত ঘোরাঘুরি। কিন্তু এই অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ পাল্টে যাবে যখন সমুদ্রের পাশে সারাদিন থেকে উপভোগ করা যাবে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্য, রাতে ঘুমোতে যাওয়ার সময় শোনা যাবে ঢেউয়ের কলতান। লোকালয় থেকে খানিকটা দূরেই ক্যাম্পসাইটে পড হাউজ বা তাঁবুতে থেকে সৈকত উপভোগ করা যাবে, সঙ্গে থাকবে রাতের আকাশের তারা। খুব কাছে থেকে ভিন্ন এক সমুদ্রসৈকতের সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ মিলবে।
যাদের ইতিহাস ভালো লাগে তাঁদের জন্য কক্সবাজারে আছে রামুর কয়েকশ বছরের পুরোনো বৌদ্ধমন্দির। রামুর প্রায় ৩৫টি বৌদ্ধমন্দিরে গেলে দেখা যাবে বাংলাদেশে বৌদ্ধধর্মের গোড়াপত্তনের সময়কার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য।
সমুদ্রের তলদেশ নিয়ে গভীর আগ্রহী যারা তাদের জন্য কক্সবাজার শহরে গড়ে উঠেছে রেডিয়েন্ট ফিশ ওয়ার্ল্ড। এখানে থাকছে সাগরের তলদেশ যাওয়ার মতো অভিজ্ঞতা। সেখানে দেখা যাবে দেশি ও বিদেশি প্রায় ২০০ প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণী। তাই পরিবারের সবাই মিলে বিশেষ করে শিশুদের আনন্দের জন্য রেডিয়েন্ট ফিশ ওয়ার্ল্ডের জুড়ি নেই।

এছাড়া, মিঠাছড়ার পাহাড়ে গিয়ে থমকে যেতে হয় গৌতম বুদ্ধের ১০০ ফুট লম্বা সোনালী শায়িত মূর্তির সামনে। বলা হয়ে থাকে, এটা এশিয়ার সবচেয়ে বড় বৌদ্ধমন্দির।
কক্সবাজার থেকে যারা হিমছড়িতে যেতে চান তাদের জন্য আছে জনপ্রিয় বাহন ‘চাঁদের গাড়ি’! তবে সিএনজি ও অটোরিকশাযোগে যেতে পারবেন, সেক্ষেত্রে আসাযাওয়া মিলিয়ে খরচ পড়বে প্রায় ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা।
এছাড়াও খাবারের জন্য রয়েছে বিভিন্ন মানের হোটেল ও রেস্তোরাঁ। সাধারণ খাবারের ক্ষেত্রে জনপ্রতি ২৫০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে মানসম্পন্ন খাবার খাওয়া যাবে। সি-ফুডের ক্ষেত্রে দাম বেশি পড়বে। স্থানভেদে এই দাম কমবেশিও হতে পারে।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/মৌ.
























Recent Comments