বুধবার, ২৮শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeআন্তজার্তিকযুক্তরাষ্ট্র-দ. কোরিয়া মহড়ার ঘোষণায় ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া
spot_img
spot_img

যুক্তরাষ্ট্র-দ. কোরিয়া মহড়ার ঘোষণায় ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: জাপান সাগরের দিকে ফের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া। এক সপ্তাহের মধ্যে এটি দেশটির দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ। দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন যৌথ সামরিক মহড়াকে কেন্দ্র করে পিয়ংইয়ং এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি করেছে সিউল ও টোকিও।

বুধবার (১২ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

আগামী ১৭ আগস্ট থেকে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ সামরিক মহড়া শুরু হওয়ার কথা। এর কয়েক দিন আগেই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করল উত্তর কোরিয়া।

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল ৬টার দিকে উত্তর কোরিয়ার ওনসান এলাকা থেকে পূর্ব সাগরের দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্রটি ৭০০ কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।

এ ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়া নজরদারি ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে। একই সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে তথ্য বিনিময় করা হচ্ছে।

জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে, সন্দেহভাজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ইতোমধ্যে সাগরে পতিত হয়েছে। তবে উৎক্ষেপণ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি টোকিও।

কিয়ংনাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর কোরিয়াবিষয়ক বিশেষজ্ঞ লিম ইউল-চুল এএফপিকে বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়ার ক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়া সাধারণত কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে বসে থাকে না। এবারের উৎক্ষেপণের মাধ্যমে পিয়ংইয়ং বোঝাতে চেয়েছে, আসন্ন মহড়ার ওপর তারা কড়া নজর রাখছে এবং প্রয়োজন মনে করলে আরও উসকানিমূলক পদক্ষেপ নিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়া

‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ সামরিক মহড়া আগামী সোমবার থেকে শুরু হয়ে ১১ দিন চলবে। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আগের বছরগুলোর মতো এবারও বড় পরিসরে এ মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। এতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রায় ১৮ হাজার সেনা অংশ নেবেন।

উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরে এই মহড়াকে আগ্রাসনের প্রস্তুতি হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছে। মহড়ার প্রতিক্রিয়ায় দেশটি বিভিন্ন সময়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য অস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর পাশাপাশি কঠোর ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়েছে।

অন্যদিকে, সিউল ও ওয়াশিংটন বরাবরই বলে আসছে, তাদের যৌথ সামরিক মহড়া প্রতিরক্ষামূলক এবং সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদার করাই এর মূল উদ্দেশ্য।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments