ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: রুপ চর্চায় ঘরোয়া পদ্ধতিতে আমরা খুব সহজে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারি। এখন সময়টাও অনেকটাই শুষ্ক। অনেকেই ত্বকের নানা সমস্যা সমাধান করতে ঘি ব্যবহার করে থাকেন। তাই ত্বক ভালো রাখতে করতে পারেন ঘি-এর ব্যবহার।

ঘি-এর ক্রিম শুষ্ক ত্বকে আর্দ্রতার জোগান দিতে পারে। প্রাচীনকালে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্য ঘি-এর ব্যবহার করা হত। এটি ত্বককে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে, এক সময় প্রাচীন ভারতে ত্বকের যত্ন নেওয়ার জন্যে ঘি ব্যবহার করা হত। এমনকী সারা গায়েও ঘি মাখার রীতি ছিল। এতে ত্বকের জেল্লাও হত দেখার মতো। অনেকেই এখনও বাড়িতে প্রাকৃতিক ময়শ্চরাইজার হিসেবে ঘি ব্যবহার করেন।
চোখের নিচের কালচেভাব মলিন করতেও সাহায্য করে ঘি। ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখার জন্যেও ঘি-এর ব্যবহার করতে পারেন।
বেসন হার্বাল ফেসমাস্কে ব্যবহার করে। এটি আপনার ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে। এক্সফোলিয়েট করতে সাহায্য করে। দুধের মধ্যে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের জন্য ভালো। আপনার প্রয়োজন ২ টেবিলচামচ ঘি, ২ টেবিলচমচ বেসন এবং ১ টেবিলচামচ দুধ। এই প্রত্যেকটি উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করে নিন। পেস্টটি সারা মুখে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ১০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১বার ব্যবহার করুন।
মধুতে আছে অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট এবং অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল উপাদান। এটি ত্বকের ক্ষত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে এবং ত্বকও ভালো রাখে। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। আধ চামচ মধুর সাথে আধ চামচ ঘি নিতে হবে। এই প্রত্যেকটি উপাদান ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর মুখে এবং গলায় লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩বার ব্যবহার করতে পারেন।
উল্লেখ্য, সবার ত্বকের জন্য ঘি খুব ভালো নাও হতে পারে। ঘি-এর ব্যবহার ত্বকের ফাঙ্গাল ইনফেকশনের অন্যতম কারণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে, আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয়, তাই বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করে নেয়া ভালো।
ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/মৌ.


























Recent Comments