সোমবার, ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

spot_img
spot_img
Homeস্বাস্থ্য বার্তারোগা মানুষেরও হতে পারে উচ্চ কোলেস্টেরল
spot_img
spot_img

রোগা মানুষেরও হতে পারে উচ্চ কোলেস্টেরল

ডেইলি শেয়ারবাজার ডেস্ক: শরীর রোগা বা শারীরিকভাবে ফিট থাকলেই যে উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি থাকবে না, এমন ধারণা ভুল বলে সতর্ক করেছেন যুক্তরাজ্যের এক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ। তার মতে, বয়স, ওজন বা জীবনযাত্রা যেমনই হোক না কেন, সবারই নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করে কোলেস্টেরলের মাত্রা জেনে রাখা উচিত।

লন্ডনের নিউ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের পরামর্শক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জো এস্ট্রোলক্স বলেন, অনেকেই মনে করেন উচ্চ কোলেস্টেরল শুধু অতিরিক্ত ওজনের, বয়স্ক বা অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের মানুষের সমস্যা। বাস্তবে এ ধারণার কোনো ভিত্তি নেই।

তিনি জানান, উচ্চ কোলেস্টেরল সাধারণত দীর্ঘদিন কোনো দৃশ্যমান উপসর্গ সৃষ্টি করে না। এ কারণে একে ‘নীরব হুমকি’ বলা হয়। চিকিৎসা না করালে এটি হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে, এমনকি বাহ্যিকভাবে সুস্থ ও ফিট দেখানো মানুষের ক্ষেত্রেও।

ডা. এস্ট্রোলক্স বলেন, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং সুষম খাদ্য গ্রহণ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এসব অভ্যাস থাকলেই কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক থাকবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

তার ভাষায়, রক্ত পরীক্ষাই কোলেস্টেরলের মাত্রা জানার একমাত্র নির্ভরযোগ্য উপায়। অনেক মানুষ বছরের পর বছর উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ে বসবাস করেন, অথচ কোনো সতর্কতামূলক লক্ষণ অনুভব করেন না।

তিনি আরও বলেন, যাদের পরিবারে উচ্চ কোলেস্টেরল বা হৃদরোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের সুস্থ বোধ করলেও নিয়মিত কোলেস্টেরল পরীক্ষা করানো উচিত।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, কোলেস্টেরল হলো এক ধরনের চর্বিজাতীয় পদার্থ, যা বিভিন্ন ধরনের লাইপোপ্রোটিনের মাধ্যমে রক্তে পরিবাহিত হয়। এর মধ্যে নিম্ন-ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন (এলডিএল) ধমনির দেয়ালে জমে রক্তনালি সংকুচিত করতে পারে। এতে হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

অন্যদিকে, উচ্চ-ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন (এইচডিএল) রক্ত থেকে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল অপসারণে সহায়তা করে। এইচডিএলের মাত্রা কম হলে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর করার শরীরের সক্ষমতা হ্রাস পায়, ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বয়স, শারীরিক গঠন বা ওজন যাই হোক না কেন, প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়মিত কোলেস্টেরল পরীক্ষা করানো উচিত। এতে ঝুঁকি আগেভাগেই শনাক্ত করা সম্ভব হয় এবং সময়মতো চিকিৎসা শুরু করলে গুরুতর হৃদরোগের আশঙ্কা অনেকটাই কমানো যায়।

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম

RELATED ARTICLES
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

Most Popular

Recent Comments